আইসিইউতে সিনেমাশিল্প পিকনিক পার্টির দখলে ফ্লোর

spot_img

সম্পর্কিত আর্টিকেল

৯ টাকা দেনমোহরে বিয়ের পিঁড়িতে অভিনেত্রী চমক

শোবিজ প্রতিবেদন: মাত্র ৯ টাকা দেনমোহরে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন...

জটিল রোগে আক্রান্ত তাহসান দিলেন দুঃসংবাদ

গুরুতর জটিল রোগে আক্রান্ত দেশের জনপ্রিয় গায়ক, সুরকার, অভিনেতা...

সালমান মুক্তাদির হাসপাতালে

দেশের জনপ্রিয় ইউটিউবার ও অভিনেতা সালমান মুক্তাদির স্বাস্থ্য পরীক্ষার...

মোশাররফ করিমকে নিয়ে ‌‘আক্কেলগঞ্জ হোম সার্ভিস’

মোশাররফ করিমকে নিয়ে তৈরি হয়েছে টিভি ধারাবাহিক ‘আক্কেলগঞ্জ হোম...

সিনেমা নির্মাণের আঁতুড়ঘরখ্যাত বিএফডিসির ফ্লোরগুলো এখন আর লাইট, ক্যামেরা,অ্যাকশনের ধবনিতে মুখরিত হয় না।
শিল্পী ও কলাকুশলীদের স্মৃতিবিজড়িত মেকাপরুমগুলো মাসের পর মাস বন্ধ থাকাতে ধুলির স্তুপে ঢাকা পড়ে বেহাল দশা । শুটিং না থাকাতে ভাড়া হচ্ছে না ফ্লোরগুলো। এডিটিং প্যানেল ও ডাবিং থিয়েটারও বন্ধ থাকছে মাসের পর মাস। আয়ের সিংহভাগ যেই কালারল্যাব থেকে আসতো সেই জহির রায়হান কালার ল্যাবটিও পড়ে আছে অযত্ন, অবহেলায়। যার কারণে স্টাফদের বেতনও দিতে পারছেনা কর্তৃপক্ষ। সিনেমাশিল্প ধবংশের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যাওয়াতে এফডিসির ফ্লোরগুলো ভাড়া দিতে হচ্ছে পিকনিক পার্টির কাছে। এতে করে সিনেমার মানুষদের অস্তিত্ব বিলীন হওয়ার পথে। সম্প্রতি একটি ফেসবুক গ্রুপের কাছে পিকনিকের জন্য ২ নাম্বার ফ্লোর ভাড়া দিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি করেছে এফডিসি কর্তৃপক্ষ। আর এর মধ্য দিয়ে সিনেমাশিল্পের দেউলিয়াত্ব ফুটে উঠেছে। লোকসানের কবল থেকে এফডিসিকে রক্ষায় ফ্লোর ভাড়া দেওয়া হলেও বিষয়টি নিছক ফ্লোর ভাড়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না।সিনেমার দুরবস্থা ও করুণ দূর্দশার চিত্রই এতে ফুটে উঠেছে। নির্মাতা, শিল্পী ও কলাকুশলীদের প্রিয় আঙ্গিনা এফডিসির ফ্লোর পিকনিক পার্টির কাছে ভাড়া দেওয়াতে ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা ফিল্ম দুনিয়ার মানুষেরা। নিজেদের প্রিয় অঙ্গণের দুরবস্থা ও দেউলিয়াত্বে হতাশা প্রকাশ ছাড়া আর কিছুই করার থাকছেনা তাদের। “এফডিসি এখন পিকনিক পার্টির কাছে ফ্লোর ভাড়া দিয়ে খাচ্ছে” এমন কথা মিডিয়া পাড়ায় চাউর হয়ে প্রকাশের পর এক কান দু কান করে বিষয়টি এখন “টক অব দ্য কান্ট্রি ” হিসেবে সর্বস্তরের জনসাধারণের কাছে পৌঁছে গিয়েছে। আর এর মধ্য দিয়ে ফের ফুটে উঠেছে ঢাকাই সিনেমার অধপতনের চিত্র। সোনালী অতীত স্মৃতির গর্ভে বিলীন হওয়ার পর নির্মাতা, শিল্পী ও কলাকুশলীরা যতটা কষ্টে ছিলেন তার চেয়ে বেশি মনোকষ্টে ভুগছেন হঠাৎ করে প্রিয় এফডিসির বর্তমান দূরবস্থায়। যেন “মরার উপর খাড়ার ঘা” এর মতো অবস্থা হয়েছে এই শিল্পের মানুষদের। স্বর্ণালী অতীত হারিয়ে সিনেমা নিয়ে হৃদয়ের আবেগ আর অনুভূতিকে পুঁজি করেই পড়ন্ত বয়সে কোন রকমে জীবনের ঘানি টানছিলেন ফিল্মপাড়ার মানুষেরা। আবেগ আর অস্তিত্বে হঠাৎ করে কুঠারাঘাত করে ঢাকাই ছবির কফিনে শেষ পেরেকটা ঠুকে দিলেন এফডিসি কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে এক পক্ষ দুষছেন অন্যপক্ষকে। সিনেমার মানুষেরা মনে করছেন এফডিসি কর্তৃপক্ষের বিমাতাসুলভ ও অপেশাদারি আচরণের কারণে এই শিল্প আজ আইসিইউতে।
অন্যদিকে, এফডিসি কর্তৃপক্ষ বলছেন নির্মাতারা মানসম্পন্ন সিনেমা উপহার দিতে পারছেনা বলে জ্যামিতিক হারে প্রেক্ষাগৃহ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ১৪০০ সিনেমাহল এখন ৬০ এর ঘরে এসে দাঁড়ানোতে পেশাদার প্রযোজক ও নির্মাতারা সিনেমার নির্মাণ থেকে দূরে আছেন। এতে করে এফডিসির শুটিং ফ্লোরসহ ডাবিং ও এডিটিং মেশিনও মাসের পর মাস বন্ধ থাকছে। সেল্ফ ডিপেন্ডেন্ট প্রতিষ্ঠান হিসেবে এফডিসির আয় থেকেই প্রতিষ্ঠানটির যাবতীয় ব্যয় বহন করা হয়ে থাকে। স্টাফদের বেতন দিতে হিমশিম খেতে হয় বলে বাধ্য হয়ে পিকনিক পার্টির কাছে ফ্লোর ভাড়া দিতে হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এফডিসির একজন উর্ধতন কর্মকর্তা বলেন, আবেগ দিয়ে জীবন চলে না বলেই তারা এখন ফ্লোর ভাড়া দেওয়া শুরু করেছেন। এফডিসি প্রশাসনের সাথে সংশ্লিষ্ট একটি অসমর্থিত সূত্র জানায়, দর্শক সংকটের কারণে একের পর এক সিনেমাহল বন্ধ হয়ে যাওয়াতে প্রযোজক ও পরিচালকরা ছবি নির্মাণ থেকে নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছেন বলে ফ্লোরগুলো খালি পড়ে আছে। আয় না থাকলেও ব্যয় ঠিকই হচ্ছে
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এফডিসি প্রশাসনের একজন উর্ধতন কর্মকর্তা বলেন, প্রতি মাসে প্রতিষ্ঠানটির ব্যয় হয় কোটি টাকার উপরে, কিন্তু আয় হয় মাত্র ৩০ লাখ টাকার মতো। স্টাফদের বেতনও বকেয়া পড়ে যায়। মাঝে মাঝে মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ এনে চলতে হয়। সর্বাধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন যন্ত্রপাতি থাকার পরেও আমাদের যন্ত্রপাতিগুলো পড়ে থাকে। সিনেমার নির্মাণ থাকলে এই দুঃসময় আমাদের কাটাতে হতো না। সিনেমার অস্তিত্ব শেষ বলে আমাদের অস্তিত্বও শেষের পথে। যার কারণে অস্তিত্ব রক্ষায় বাধ্য হয়ে পিকনিক পার্টির কাছে ফ্লোর ফ্লোর ভাড়া দিতে হলো। এছাড়া আমাদের কি-ই বা করার থাকতে পারে। নির্মাতা ও প্রযোজকদের কারণেই এই শিল্পের আজ এই দুরবস্থা। আর সেই দুর্দশার ঘানি টানতে হচ্ছে এফডিসিকে। যার কারণে ফ্লোর ভাড়া দেওয়া ছাড়া তাদের সামনে বিকল্প আর কোন পথ খোলা ছিলো না। এভাবে তো আর বছরের পর বছর লোকসান দেওয়া যায় না।
কিন্তু বিষয়টি মানতে নারাজ একাধিক নির্মাতা ও প্রযোজক। তারা বলেন, বাইরে যেই টাকায় আমরা টেকনিক্যাল সাপোর্ট ও নানা ধরনের সুযোগ সুবিধা পাচ্ছি সেই সুবিধা ও সাপোর্ট এফডিসি থেকে নিতে হলে দ্বিগুণ টাকা গুনতে হয়। এতে করে একজন প্রযোজকের খরচও দ্বিগুন বেড়ে যায়। যার কারণে নির্মাতার এফডিসি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত ইয়াসমিন, পরিচালক ( অর্থ) শহীদুল ইসলাম এজন্য দায়ী বলে মনে করছেন ঢালিউডের বাসিন্দারা । এদিকে পিকনিক পার্টির কাছে ফ্লোর ভাড়া দিয়ে এফডিসির তথা চলচ্চিত্রশিল্পের দুরবস্থার জন্য ফ্লোর ইনচার্জ হিমাদ্রি বড়ুয়ার হাত রয়েছে বলেও জানা গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ক্ষুব্ধ নির্মাতা এই প্রতিবেদকের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সিনেমার এই দূরবস্থার জন্য বর্তমান এমডি নুজহাত ইয়াসমিন দায়ি। একই পদে দীর্ঘদিন থাকাতে এই এমডি স্বেচ্ছাচারি হয়ে উঠেছেন বলেও জানান তারা। সিনেমাশিল্পকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে এই এমডিকে বড় বাধা উল্লেখ করে ক্ষুব্ধ বেশিরভাগ নির্মাতা বর্তমান এমডি নুজহাত ইয়াসমিনের অপসারণ দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। মিটিং ও ব্যস্ততার অজুহাতে তিনি বারবার বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন। অন্যদিকে পরিচালক (অর্থ) সহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধেও রয়েছে দুর্নীতির বিস্তর অভিযোগ। নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানায়, চল্লিশজন নির্মাতার কাছে এফডিসি কর্তৃপক্ষের প্রায় ২২ কোটি টাকা গত এক দশক যাবত পড়ে আছে। অর্থ বিভাগের পরিচালক হিসেবে এই টাকা আদায়ের দায়িত্ব পরিচালক ( অর্থ) সহিদুল ইসলামের উপর বর্তালেও গত দেড় দশক যাবত এফডিসির বকেয়া আদায়ে তার কোন পদক্ষেপ দৃশ্যমান হয়নি। বকেয়া টাকা আদায়ে সহিদুল ইসলামের গাফিলতি রয়েছে বলে খোদ এফডিসি প্রশাসনের অনেকের কাছে তিনি বর্তমানে নিজেকে এক রহস্যমানব হিসেবে উন্নীত করেছেন বলে শোনা যাচ্ছে। বকেয়া টাকা আদায়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করাতে সহিদুল ইসলামের ব্যক্তিস্বার্থ রয়েছে অর্থাৎ তিনি ভিন্নভাবে টু পাইস কামাচ্ছেন এফডিসি প্রশাসনের অভ্যন্তরে এমন নানা মুখরোচক কথা শোনা যাচ্ছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট মহল এ বিষয়ে সঠিক তদন্ত করলে ‘ কোঁচো খুড়তে অজগর” বেরিয়ে আসার মতো হয়তো সহিদুল ইসলামের অনেক অজানা অধ্যায় উঠে আসবে। ঘটনার সত্যতা জানার জন্য পরিচালক ( অর্থ) সহিদুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, ফ্লোর ইনচার্জ হিমাদ্রি বড়ুয়াকে নিয়েও রয়েছে বিস্তর অভিযোগ। নিজের প্রভাব খাটিয়ে হিমাদ্রি এফডিসির অবস্থাকে ‘লেজে গোবরে অবস্থা ” করে ফেলেছে এমন কথা চাউর হয়ে শোনা যাচ্ছে এফডিসির সর্বত্র। অনেক নির্মাতা ফ্লোর ভাড়া নিতে চাইলেও হিমাদ্রিকে খুশি করতে হয় এমন মুখরোচক কথা গুজব আকারে রটিয়ে পড়েছে সিনেমা নির্মাণের নিউক্লিয়াসখ্যাত বিএফডিসিতে। একাধিক গোপন সূত্র মতে জানা যায়, এফডিসি থেকে বিভিন্ন সুবিধা নিয়ে হিমাদ্রি বড়ুয়া দিনে দিনে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছে। সত্যতা না পাওয়া গেলে বিষয়টি গুজব আকারেই থাকবে এটাই স্বাভাবিক।
এই বিষয়ে চলচ্চিত্র সাংবাদিক আহমেদ তেপান্তর বলেন, এটা হতাশার। এক দিকে প্রধানমন্ত্রী সিনেমা উন্নয়নে এফডিসিকে ঢেলে সাজানোর কথা বলছেন, অপরদিকে তাকে পাশ কাটিয়ে সংস্থার এমডি তার কতিপয় কর্মকর্তার সহযোগে সিনেমাবিমুখ কর্মকাণ্ডে লিপ্ত। তিনি করপোরেশনকে ঢেলে সাজাতে ব্যর্থ হয়েছেন। এখানে বিভিন্ন সমিতিগুলোর কাছে বিপুল পরিমান বকেয়া সেগুলো আদায়ে ব্যর্থ হয়েছেন। ব্যর্থ হয়েছেন প্রযোজকদের আস্থা ফেরাতে। তিনি সমন্বহীন নিজের খেয়ালখুশি মতো কাজ করছেন, এমনকি গণমাধ্যমকেও সহযোগিতা করেন না। যার ফলে এফডিসি এখন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সয়লাব। এফডিসির গতি ফেরাতে সিনেমা বান্ধব কাউকে দায়িত্ব দিতে হবে, নয়তো প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন ব্যর্থ হবে।
এদিকে, এক অনুসন্ধানী জরিপ বলছে ঢালিউডের ধবংশের জন্য নির্মাতা ও কলাকুশলীরা এফডিসি কর্তৃপক্ষকে যতই দায়ি করুক এই ক্ষেত্রে নব্য ও মৌসুমি প্রযোজক শিকারি বেশ কিছু নব্য নির্মাতাও দায়ি। প্রফেশনাল প্রযোজকরা ছবি নির্মাণ থেকে নিজেদের গুটিয়ে নেওয়ার পর নব্য প্রযোজকরা ছবিতে অর্থলগ্নি করতে এগিয়ে এসেছেন। এতে করে নিভু নিভু করে জ্বলতে থাকা এই শিল্পে কিছুটা আশার আলো দেখা গেলেও কতিপয় নির্মাতার প্রতারণায় অতিষ্ঠ হয়ে নব্য প্রযোজকরাও ফিরে যাচ্ছেন এই অঙ্গন থেকে। নিজেদের স্বার্থসিদ্ধিতে নব্য প্রযোজকদেরকে একেবারে চুষে খেয়ে ফেলেন বলে এরা আর দ্বিতীয়বার এই পথে পা মাড়ান না। নব্য প্রযোজকদেরকে “ওয়ান টাইম বলপেন’ এর মতো ছুঁড়ে ফেলে দিচ্ছেন বলে এরা কালেভদ্রে বিভিন্ন মৌসুমে আসে আবার চলেও যায়। ততদিনে প্রতারক নির্মাতা আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে যায়৷ আর ধবংশের দ্বারপ্রান্তে উপনীত সিনেমার অবস্থা থাকে ” যেই লাউ সেই কদু’ এর মতো অবস্থা।
ক্ষোভ প্রকাশ করে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রযোজক এই প্রতিনিধিকে বলেন, ছবি নির্মাণের আগে পরিচালক আমাকে বলেছিলো সব মিলিয়ে ৩০ লাখ টাকার মতো খরচ হবে আর তা থেকে প্রায় দেড় কোটি টাকা উঠে আসবে। কিন্তু নির্মাণ শেষে আমার ছবিটির বাজেট দাঁড়ালো ১ কোটি ২০ লাখে। আর আমি তা থেকে ৫ লাখ টাকার বেশি পাইনি। এ অবস্থা চলতে থাকলে কেউই সিনেমাতে বিনিয়োগ করবেনা বলেই আমার দৃঢ় বিশ্বাস। প্রযোজক আসছে আর খারাপ ধারণা ও তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে আবার চলেও যাচ্ছে। এতে করে মৌসুমি নির্মাতারা লাভবান হলেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে গোটা ইন্ডাস্ট্রি ও এর সাথে জড়িত মানুষগুলো।
সাধারণ মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এফডিসির প্রতিটি দেয়াল,ফ্লোর ও আঙ্গিনায় এখন হতাশার দীর্ঘশ্বাস। আর এক্ষেত্রে এফডিসি কর্তৃপক্ষ, হল মালিক, প্রযোজক ও নির্মাতা সবাই সম্মিলিতভাবেই দায়ি।

এখানে বিজ্ঞাপন দিন

spot_img